
আলোর উৎসবে চারদিকে আনন্দের ঝলকানি, কিন্তু আতশবাজির ধোঁয়ায় বাড়ছে বায়ুদূষণের আশঙ্কা। বাজি পোড়ানোর ফলে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ছে সূক্ষ্ম ধূলিকণা ও বিষাক্ত গ্যাস, যা সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে ফুসফুসের উপর। বিশেষ করে শিশু, প্রবীণ এবং হাঁপানি ও শ্বাসকষ্টের রোগীদের জন্য এই দূষণ যথেষ্ট বিপজ্জনক। বিশেষজ্ঞদের মতে, দূষিত বাতাসে থাকা পিএম ২.৫-এর মতো অতি সূক্ষ্ম কণা ফুসফুসের গভীরে প্রবেশ করে প্রদাহ, কাশি ও শ্বাসকষ্ট বাড়াতে পারে। শুধু বাজির ধোঁয়াই নয়, যানবাহনের ধোঁয়া, কলকারখানার নির্গমন এবং ঘরের ভিতরে ধূপ-ধুনোর ধোঁয়াও দূষণের মাত্রা বাড়ায়। তাই উৎসবের মরশুমে ফুসফুস সুস্থ রাখতে কয়েকটি সতর্কতা জরুরি। অপ্রয়োজনীয়ভাবে বাজির ধোঁয়ার সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন, দূষণ বেশি থাকলে বাইরে বেরোনো কমান, বাইরে গেলে ভালো মানের N95 মাস্ক ব্যবহার করুন এবং ঘরের বাতাস পরিষ্কার রাখুন। পাশাপাশি পর্যাপ্ত জল পান করুন এবং শ্বাসকষ্ট বাড়লে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। মনে রাখবেন, উৎসবের আনন্দ যেন ফুসফুসের জন্য বিপদের কারণ না হয়ে ওঠে।