
সামনে একতার বড় বড় বাণী, মুখে মিষ্টি হাসি... কিন্তু নেপথ্যে? নিজের দলের লোককেই খাটো করার মারাত্মক নীল নকশা! দলীয় পদ আর নিজের চেয়ার বাঁচানোর মোহে শেষ পর্যন্ত নিজেদের নেতার পেছনেই ষড়যন্ত্র? রাজনীতির অন্দরের এমনই এক চাঞ্চল্যকর সত্য প্রকাশ্যে এসেছে আজকের ‘দৈনিক সংগ্রাম’ পত্রিকার বিশেষ প্রতিবেদনে। বাইরে সমর্থকদের উপচে পড়া ভিড়, অথচ দলেরই একাংশের রহস্যজনক নীরবতা! জনসভায় কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি কমিয়ে দেখানোর পেছনে কি তবে রয়েছে দলেরই অন্দরমহলের কোনো সমীকরণ? দৈনিক সংগ্রামের প্রতিবেদন ঘিরে এখন প্রশ্ন উঠছে—এটি কি সাংগঠনিক গাফিলতি, নাকি জনপ্রিয় কোনো মুখকে চাপে রাখার নেপথ্য পরিকল্পনা?রাজনৈতিক মহলে জল্পনা, দলের শক্তি বাড়ানোর বদলে কিছু নেতার কাছে নিজের পদ-পজিশনই কি বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে? ‘দল আগে, নাকি চেয়ার আগে’—এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে।আরও চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে সভা চলাকালীন একের পর এক কর্মী-কর্মকর্তার নীরবে হল ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার ঘটনায়। কোনো প্রকাশ্য প্রতিবাদ নেই, অথচ এই নীরবতাই কি দিচ্ছে বড় কোনো রাজনৈতিক বার্তা?তাহলে কি দলের অন্দরেই চলছে ঠান্ডা লড়াই? নাকি এর পেছনে রয়েছে আরও গভীর কোনো রাজনৈতিক সমীকরণ? উত্তর খুঁজছে রাজনৈতিক মহল।