
ধর্মনগর রেলস্টেশনে দূরপাল্লার ট্রেনের স্টপেজ বাড়ানোর দাবি উঠল। বর্তমানে মাত্র দুই মিনিটের স্টপেজে যাত্রীদের ভোগান্তির অভিযোগ। বিশেষ করে বয়স্ক, মহিলা ও অসুস্থ যাত্রীদের কথা মাথায় রেখে এবার ন্যূনতম পাঁচ মিনিট স্টপেজের দাবি জানালেন ধর্মনগরের বিধায়ক জহর চক্রবর্তী।
প্রতিদিন উত্তর ত্রিপুরার বিভিন্ন এলাকার পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী মিজোরামের বহু মানুষও ধর্মনগর রেলস্টেশন ব্যবহার করেন। কিন্তু দূরপাল্লার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ট্রেন ধর্মনগর স্টেশনে দাঁড়ায় মাত্র প্রায় দুই মিনিট। আর এই অল্প সময়েই বিপুল সংখ্যক যাত্রীকে ট্রেনে ওঠানামা করতে হয়। যাত্রীদের এই সমস্যার কথা তুলে ধরে এবার রেল কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি দিলেন ধর্মনগরের বিধায়ক জহর চক্রবর্তী। ধর্মনগর রেলওয়ে স্টেশন সুপারিনটেনডেন্ট স্বপন ভট্টাচার্যের হাতে স্মারকলিপি ও চিঠি তুলে দেওয়া হয়েছে। বিধায়কের দাবি, আগরতলা-লোকমান্য তিলক টার্মিনাস এসি এক্সপ্রেস, দেওঘর-আগরতলা এক্সপ্রেস, কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস এবং রাজধানী এক্সপ্রেসের মতো গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনের স্টপেজের সময় বাড়ানো প্রয়োজন। বিশেষ করে বয়স্ক নাগরিক, মহিলা, শিশু এবং অসুস্থ ও প্রতিবন্ধী যাত্রীদের জন্য দুই মিনিটের স্টপেজ যথেষ্ট নয় বলে দাবি করা হয়েছে। অনেক যাত্রী চিকিৎসার জন্য বহিঃরাজ্যে যাওয়ার সময় ধর্মনগর স্টেশন ব্যবহার করেন। তাঁদের সঙ্গে থাকে লাগেজ ও চিকিৎসা সংক্রান্ত সামগ্রী। ফলে মাত্র দুই মিনিটের মধ্যে ট্রেনে ওঠা বা নামার সময় তৈরি হচ্ছে তাড়াহুড়ো এবং নিরাপত্তার ঝুঁকি। শুধু স্টপেজের সময় বাড়ানো নয়, নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগে যাতে কোনও ট্রেন প্ল্যাটফর্ম ছেড়ে না যায়, সেই বিষয়েও প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।