
অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র ঘিরে জমি ও নিয়োগ বিতর্কে নতুন মোড়! সংবাদ প্রকাশের পর এবার মুখ খুলল জমির দাবিদার পরিবার।
পরিবারের দাবি, প্রায় ২৫–২৬ বছর আগে তাদের নামজারি করা জমির একটি অংশে কেন্দ্রটি নির্মাণ করা হয়। সেই সময় পরিবারের সদস্য কমলা নাথকে হেলপার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।প্রশিক্ষণ ও সরকারি অনুমোদনের পর তিনি দীর্ঘদিন কাজও করেছেন এবং সরকারি ভাতাও পেয়েছেন বলে দাবি। কিন্তু হঠাৎ করেই তাঁকে কাজ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ সুপারভাইজার কস্তুরী দেবের নির্দেশে নতুন নিয়োগের কথা জানানো হয়, তবে কোনও স্পষ্ট কারণ দেওয়া হয়নি। প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছে, সম্পা নাথকে পুনরায় কাজে বহাল করা হোক এবং আগের মতো কেন্দ্রটি চালু করা হোক। এলাকাবাসীর দাবি, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র বন্ধ থাকায় শিশু ও গর্ভবতী মহিলারা সমস্যায় পড়ছেন। কিন্তু প্রশ্ন একটাই—জমির মালিকানা, নিয়োগের সিদ্ধান্ত আর প্রশাসনিক নীরবতার এই জট কি আদৌ খুলবে, নাকি আরও গভীর হবে এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র বিতর্ক?
একদিকে জমির দাবি, অন্যদিকে নিয়োগের রহস্য—মাঝখানে আটকে রয়েছে একটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের ভবিষ্যৎ এবং এলাকার শিশুদের অধিকার।প্রশ্ন উঠছে, এই বিরোধ কি শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ, নাকি এর পেছনে লুকিয়ে রয়েছে আরও বড় প্রশাসনিক সত্য… যা সামনে এলে পুরো ছবিটাই বদলে যেতে পারে