
ঝড়-বৃষ্টির তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত সিমনার একাধিক এলাকা। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ঘটনাস্থলে পৌঁছালেন রাষ্ট্রমন্ত্রী বৃষকেতু দেববর্মা।
উপস্থিত ছিলেন মোহনপুর মহকুমা শাসক সান্তনু বিকাশ দাস, হেজামারা ব্লকের আধিকারিক, তহশিলদার সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।ঝড় ও বৃষ্টির জেরে এলাকার একাধিক বাড়িঘর এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে কথা বলে তাদের সমস্যার খোঁজ নেন রাষ্ট্রমন্ত্রী।বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা ইতিমধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত লাইন মেরামতের কাজ শুরু করেছেন বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে।এদিকে দুর্যোগের পর ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে এখনও আতঙ্কের পরিবেশ রয়েছে।
সরকারি সাহায্যের আশ্বাস মিলেছে ঠিকই… কিন্তু প্রশ্ন এখন একটাই—ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো কত দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে? দুর্যোগের পর প্রশাসনের তৎপরতা কি সত্যিই পৌঁছে দেবে স্বস্তি, নাকি আবারও দীর্ঘ অপেক্ষায় থাকতে হবে সাধারণ মানুষকে? সিমনার মানুষ এখন তাকিয়ে সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তব রূপের দিকেই।