ত্রিপুরা
img

প্রয়াত সপ্তর্ষি'র বাড়ি গেলেন মুখ্যমন্ত্রী

উত্তরপ্রদেশে গাড়ি দুর্ঘটনায় মৃত রাজ্যের ডাক্তারী  পড়ুয়া ছাত্র সপ্তর্ষি দাসের দেহ সোমবার বাড়িতে এসে পৌঁছয় ।এদিন সপ্তর্ষীর রামনগরস্থিত বাড়িতে ছুটে যান মুখ্যমন্ত্রী ।ঘটনায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি। এদিন মেয়র দীপক মজুমদার ,বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন ,পি সি সি সভাপতি আশীষ কুমার সাহা সহ অন্যন্যরাও প্রয়াত  সপ্তর্ষি দাসের বাড়িতে জান।

গত বুধবার রাত পৌনে দশটা নাগাদ উত্তরপ্রদেশের আমরোহার রাজবপুর এলাকার আত্রাসির কাছে দিল্লি লখনৌ জাতীয় সড়কের উপর ভয়ঙ্কর গাড়ি দুর্ঘটনা ঘটে ।ডাক্তারি পড়ুয়া চার বন্ধু গাড়ি করে বেড়াতে যায়। আচমকা গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকে গিয়ে ধাক্কা মারে ।সংঘর্ষে দুমড়ে মুচরে যায় ছাত্রদের গাড়িটি ।ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় চারজনের ।এদের মধ্যে রাজ্যের রামনগর এক নম্বর রোড এলাকার ডাক্তারি পড়ুয়া ছাত্র সপ্তর্ষি দাসও রয়েছে ।খবর পেয়ে উত্তরপ্রদেশ ছুটে যান সপ্তপদী দাসের মা-বাবা ।কিন্তু ইন্ডিগো বিমান পরিষেবায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির কারণে বিমানযোগে সপ্তর্ষির কফিনবন্দী দেহ আগরতলায় নিয়ে আসতে পারা যায়নি। অবশেষে ঘটনার ছয় দিন পর সোমবার ফ্রিজার অ্যাম্বুলেন্স কার করে সপ্তর্ষির নিথর দেহ আগরতলায় নিজ বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। মরদেহ আসতেই গোটা এলাকার মানুষ সপ্তর্ষিদের বাড়িতে ভেঙে পড়েন ।খবর পেয়ে রামনগরে নিহত ছাত্রের বাড়িতে ছুটে যান মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাক্তার মানিক সাহা ।মরদেহে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান মুখ্যমন্ত্রী ।পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান ,মা-বাবার একমাত্র সন্তান ছিল সপ্তর্ষি। লখনৌ তে এক মেডিকেল কলেজে ইন্টার্নশিপ করছিল সে ।ইন্টার্নশিপ শেষের পর্যায়ে ছিল ।তার পিতা এলআইসি তে চাকরি করেন। মা শিক্ষিকা ।একমাত্র ছেলের এই মর্মান্তিক ঘটনা ।এর চেয়ে দুঃখজনক আর কিছুই হতে পারে না ।প্রয়াত সপ্তর্ষি দাসের বিদেহী আত্মার চির শান্তি কামনা করেন মুখ্যমন্ত্রী।

এদিন আগরতলা পৌর নিগমের মেয়র তথা বিধায়ক দীপক মজুমদার ,কংগ্রেস বিধায়ক সুদিপ রায় বর্মন, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আশীষ কুমার সাহা প্রমূখও প্রয়াত সপ্তর্ষি দাসের বাড়িতে ছুটে যান ।মরদেহে পুষ্পার্ঘ অর্পন করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তারা।

এই মুহূর্তে