
রাজ্যে এখনো এস আই আর বা বিশেষ নিবিড় সংশোধনী প্রক্রিয়া চালু হয়নি । বিহারের পর দ্বিতীয় পর্যায়ে দেশের বারোটি রাজ্যে এস আই আর প্রক্রিয়া চলছে।তৃতীয় পর্যায়ে রাজ্যে এস আই আর প্রক্রিয়া চালু হওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু এর আগেই বিএলওদের নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে ।সম্প্রতি ত্রিপুরা প্রদেশ তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে রাজ্যের কোন কোন স্থানের বিএলওদের কার্যকলাপ নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে ।এবার বিএলওদের সরাসরি সতর্ক করে দিলেন কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন। নোয়াগাঁওয়ে ৬ আগরতলা বিধানসভা কেন্দ্রের ব্লক কংগ্রেস কমিটি আয়োজিত কর্মী সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এলাকার বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন বলেন, ত্রিপুরা রাজ্য ছোট ।এখানে সবাই সবাইকে চেনেন। তাই বিজেপির চাপে পড়ে বুথ লেভেল অফিসার বা বি এল ওরা যদি কিছু করতে চায় তবে একটি পিটা ও মাটিতে পড়বে না ।পাশাপাশি চাকরি থেকে হাত ধুয়ে যেতে হবে তাদের ।সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিএল ওদের সাবধান করে দেন বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন। সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কংগ্রেস বিধায়ক আরো জানান, এসআইআর নিয়ে অন্যান্য রাজ্যের যা ঘটেছে তা ত্রিপুরায় হতে দেব না। প্রত্যেক বৈধ নাগরিকদের নাম যেন ভোটার লিস্টে থাকে সেই বিষয়টি সুনিশ্চিত করতে হবে ।কংগ্রেস কর্মীরা সংশ্লিষ্ট বিষয়ের উপর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখবে ।বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন আরো জানান, আমরা কোন অবৈধ বা বিদেশি ব্যক্তির নাম ভোটার লিস্টে চাইনা ।আমরা স্বচ্ছ ভোটার লিস্ট চাই ,যা প্রণয়ন করার দায়িত্ব ভারতে নির্বাচন কমিশনারের ।যিনি আজ নতজানু হয়ে রয়েছেন। মোদিকে ভোট চুরিতে সাহায্য করছেন ।এই বিষয়গুলি রাজ্যে আমরা আগামী দিন করতে দেব না বলে স্পষ্ট ভাষায় জানান বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন ।এদিকে বিএলওদের উদ্দেশ্য করে কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মনের এই জবাবী ভাষণ কে কেন্দ্র করে রাজ্যের বিভিন্ন মহলে ইতিমধ্যেই গুঞ্জন শুরু হয়ে গেছে ।প্রকাশ্য সভায় একজন জন প্রতিনিধি ভারতের নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নিযুক্ত গ্রাস রুট লেভেল নির্বাচনী আধিকারিকদের এভাবে বলতে পারেন না বলে বিভিন্ন মহলের অভিমত।