ত্রিপুরা
img

ভিলেজ কমিটি ভোটে জোটের অন্দরে ফাটল?

ভোট যত এগোচ্ছে, ততই কি বাড়ছে রাজনৈতিক সমীকরণের জটিলতা? বাইরে থেকে মনে হচ্ছে জোট একদম মজবুত, অথচ ভেতরে ভেতরে কি তৈরি হচ্ছে বড় কোনো ফাটল? একদিকে যখন শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে চলছে ক্ষমতার টানাপোড়েন, ঠিক তখনই নিচু তলার কর্মী-সমর্থকদের মন ঘুরছে অন্য মেরুতে! আসন্ন ভিলেজ কমিটি নির্বাচনকে ঘিরে শাসক শিবিরের অন্দরে ঠিক কী খেলা চলছে? সব খবর পেছনে ফেলে ঠিক কোন আশঙ্কায় কাঁপছে শাসক দল? দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকার বিশেষ প্রতিবেদনে উঠে এল এক চাঞ্চল্যকর ছবি।
আসন্ন ভিলেজ কমিটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে এখন অস্বস্তির চরম মেঘ। বাইরে থেকে সব ঠিকঠাক দেখানোর চেষ্টা হলেও, আসল বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। বিরোধীদের সামলানোর চ্যালেঞ্জ তো রয়েছেই, তার চেয়েও বড় পরীক্ষা এখন নিজের ঘর গোছানো।একদিকে বিজেপি ও তিপ্রা মথার আসন সমঝোতা নিয়ে টানাপোড়েন, অন্যদিকে দলের ভেতরের অভ্যন্তরীণ কোন্দল—এই দুইয়ের চাপে কোণঠাসা শাসক শিবির। তিপ্রা মথা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, "আগে চুক্তি, পরে জোট"। শর্ত পূরণ না হলে তারা কোনোভাবেই নমনীয় হতে রাজি নয়। অন্যদিকে বিজেপি চায় জোট বজায় রেখে এগোতে। ফলস্বরূপ, জোটের স্টিয়ারিং এখন দুই দিকে দুই চালকের হাতে! তবে আসল উদ্বেগের জায়গা অন্যখানে। এই রাজনৈতিক দরকষাকষির মাঝে কর্মীদের মনোবল নেমেছে তলায়। সম্প্রতি কুমারঘাটে বিজেপি কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও কর্মীদের আহত হওয়ার ঘটনা দুই দলের মধ্যবর্তী তিক্ততাকে আরও উস্কে দিয়েছে। জোট বজায় রাখা আর জোটের ভেতরে আস্থা বজায় রাখা যে এক নয়, তা এখন ক্রমশই পরিষ্কার।