দেশ
img

জন্ম-মৃত্যু রেজিস্ট্রেশনে আসছে কড়া নিয়ম

জন্ম বা মৃত্যুর রেজিস্ট্রেশন করতে দেরি? এবার আর সহজে পার পাওয়া যাবে না। সংসদের বাদল অধিবেশনে জন্ম ও মৃত্যু নথিভুক্তকরণ আইনে বড় পরিবর্তনের প্রস্তাব আনছে কেন্দ্র।
জন্ম কিংবা মৃত্যুর রেজিস্ট্রেশনে আর কোনও গাফিলতি নয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নথিভুক্ত না করলে বাড়তে পারে জরিমানা, এমনকি পড়তে হতে পারে প্রশাসনিক জটিলতায়।সংসদের বাদল অধিবেশনে জন্ম ও মৃত্যু নথিভুক্তকরণ (সংশোধনী) বিল আলোচনা ও পাশের জন্য তালিকাভুক্ত করেছে কেন্দ্র সরকার। প্রস্তাবিত সংশোধনী অনুযায়ী, রেজিস্ট্রেশনে দেরি হলে নিয়ম আরও কঠোর করা হতে পারে।বর্তমান নিয়মে জন্ম বা মৃত্যুর ২১ দিনের মধ্যে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছে নিবন্ধন করতে হয়। এরপর দেরি হলে নির্দিষ্ট ফি দিয়ে অনুমতির ভিত্তিতে রেজিস্ট্রেশন করা যায়।তবে নতুন প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ৩০ দিন থেকে দুই বছরের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন করতে হলে জেলা স্তরের রেজিস্ট্রারের অনুমতি লাগবে এবং বাড়তে পারে লেট ফিও।সবচেয়ে বড় পরিবর্তন, দুই বছরের বেশি দেরি হলে শুধুমাত্র জেলাশাসক, মহকুমাশাসক বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি পেলেই রেজিস্ট্রেশন করা যাবে। এর জন্য প্রয়োজন হবে অতিরিক্ত নথিপত্র এবং সরকারি অনুমোদন।কেন্দ্রের মতে, সময়মতো জন্ম ও মৃত্যুর তথ্য নথিভুক্ত হলে জনসংখ্যার সঠিক হিসাব, সরকারি পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং মৃত ব্যক্তির পরিচয়পত্রের অপব্যবহার রোধে বড় ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি অনুপ্রবেশ ও জাল পরিচয়পত্রের মতো অপরাধ দমনেও এই ব্যবস্থা কার্যকর হতে পারে।
এখনও বিলটি আইনে পরিণত হয়নি। তবে সংসদে পাশ হলে জন্ম ও মৃত্যুর রেজিস্ট্রেশনে গাফিলতির সুযোগ আর থাকবে না। তাই প্রশ্ন একটাই—আপনার পরিবারের সব জন্ম ও মৃত্যুর নথি কি সময়মতো নিবন্ধিত?                                          দেরি হলেই জরিমানা, অনুমতি ছাড়া মিলবে না নিবন্ধন সহজে