ত্রিপুরা
img

এসপিকে ইডিয়েট জিতেন্দ্রের : অহংকার বনাম ঔদ্ধত্য

ক্ষমতায় না থাকলেও ঔদ্ধত্য কমেনি বিরোধী দল সিপিআইএমের এমনটাই অভিযোগ শাসকদলের, পুলিশ সুপারের উদ্দেশ্যে ইডিয়েট শব্দ ব্যবহার ঘিরে তীব্র নিন্দা বিভিন্ন মহলের  এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ত্রিপুরা চ্যাপ্টারের অল ইন্ডিয়া সার্ভিসেস (AIS) অ্যাসোসিয়েশন। ক্ষমতায় না থেকেও ক্ষমতার আসনে আসীন হয়ে আছেন বলে নিজেদেরকে মনে করছেন বিরোধীদল নেতা এমনটাই অভিযোগ শাসকদলের নেতৃত্বদের,  বুধবার বেলোনিয়া মহকুমার ছোট্টাখোলা এলাকায়। সিপিআই(এম)-এর একটি মিছিল চলাকালীন পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ জানায়, পথের ধারে বিপুল সংখ্যক গ্রামবাসী, যার মধ্যে বহু মহিলা ছিলেন, বিক্ষোভে সামিল হওয়ায় আইনশৃঙ্খলার অবনতির আশঙ্কায় মিছিলটি মাঝপথে আটকে দেওয়া হয়। এই সময় দক্ষিণ ত্রিপুরার পুলিশ সুপারকে উদ্দেশ করে বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী "ইডিয়ট" শব্দ ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলেই অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন মজুমদার ওই মন্তব্যের প্রতিবাদ জানান এবং একজন সিনিয়র জনপ্রতিনিধির মুখে এ ধরনের ভাষা শোভন নয় বলে আপত্তি তোলেন। ঘটনার পর ত্রিপুরা চ্যাপ্টারের আইএএস, আইপিএস এবং আইএফএস অ্যাসোসিয়েশন যৌথ বিবৃতি দিয়ে ওই মন্তব্যের নিন্দা জানায়। সংগঠনগুলির বক্তব্য, সরকারি দায়িত্ব পালনরত কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত অবমাননাকর মন্তব্য প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠানের প্রতি জনআস্থা ক্ষুণ্ন করতে পারে এবং কর্তব্যরত কর্মকর্তাদের মনোবলেও বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। যৌথ বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের সমালোচনা করার গণতান্ত্রিক অধিকার রয়েছে, তবে সেই সমালোচনা যেন ব্যক্তিগত অপমান বা অশালীন ভাষায় পরিণত না হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে জিতেন্দ্র চৌধুরীকে মন্তব্য প্রত্যাহার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ারও আহ্বান জানানো হয়েছে। এদিকে, বিরোধী দলনেতা পরবর্তী বক্তব্যে অভিযোগ করেন, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে এবং পুলিশ অসামাজিক শক্তির চাপে কাজ করছে। অন্যদিকে, পুলিশের দাবি, মিছিলের অনুমতি থাকলেও সম্ভাব্য সংঘর্ষ এড়াতেই তা সাময়িকভাবে থামানো হয়েছিল। ঘটনাটি ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে। তবে বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরীর এ ধরনের উদ্বুত্বের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে অনেকেই।