
মৎস্যচাষে আত্মনির্ভরতার পথে আরও এক বড় পদক্ষেপ। কমলপুরে মর্যাদার সঙ্গে উদযাপিত হলো রাজ্যভিত্তিক ২৬তম জাতীয় মৎস্য দিবস। অনুষ্ঠানে সম্মানিত করা হলো রাজ্যের ১৮ জন কৃতী মৎস্যচাষীকে।
মৎস্যচাষের উন্নয়ন, আত্মনির্ভরতা এবং মৎস্যজীবীদের অবদানের স্বীকৃতিতে কমলপুর টাউন হলে পালিত হলো রাজ্যভিত্তিক ২৬তম জাতীয় মৎস্য দিবস। প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয় এবং দেশের বিশিষ্ট মৎস্য বিজ্ঞানীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কমলপুরের বিধায়ক মনোজ কান্তি দেব, সুরমা কেন্দ্রের বিধায়িকা স্বপ্না দাস পাল, ধলাই জেলা পরিষদের সভাধিপতি সুস্মিতা দাস, ডেপুটি ডিরেক্টর অফ ফিশারিজ সুকেশ মজুমদার, গৌরাঙ্গ চন্দ্র সরকার, কমলপুর নগর পঞ্চায়েতের চেয়ারম্যান প্রশান্ত সিনহা, মহকুমা শাসক গিডিয়ন মলসম -সহ একাধিক বিশিষ্ট অতিথি।অনুষ্ঠানে রাজ্যের ১৮ জন কৃতী মৎস্যচাষীকে ফিশারিজ দপ্তরের পক্ষ থেকে 'বেস্ট অ্যাওয়ার্ড' প্রদান করা হয়। তাঁদের এই সম্মান রাজ্যের অন্যান্য মৎস্যচাষীদেরও উৎসাহিত করবে বলে আশা প্রকাশ করেন অতিথিরা।বক্তারা আধুনিক মৎস্যচাষ, সরকারি সহায়তা এবং যুবসমাজকে এই পেশায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তাঁদের মতে, মৎস্যচাষ শুধু কর্মসংস্থানই নয়, গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার অন্যতম প্রধান মাধ্যম।
১৮ কৃতী মৎস্যচাষীর সম্মাননার পর এবার রাজ্যের মৎস্য খাতে আর কী নতুন উদ্যোগ? নজর থাকবে আগামী ঘোষণার দিকে।