
মাত্র একটি সুইচ... আর তাতেই থেমে গেল একটি পরিবারের রোজগারের একমাত্র ভরসা। বিদ্যুতের লাইন মেরামতের কাজ চলছিল। কিন্তু সেই সময়ই কীভাবে চালু হলো বিদ্যুৎ? এটা কি নিছক দুর্ঘটনা, নাকি কারও অবহেলার মাশুল? তোতাবাড়ির মর্মান্তিক মৃত্যুকে ঘিরে উঠছে একের পর এক প্রশ্ন।
প্রতিদিনের মতোই কাজে বেরিয়েছিলেন দৈনিক হাজিরার শ্রমিক বিধু কপালি। জানতেন না, এটাই হবে তাঁর জীবনের শেষ কর্মদিবস। এস.টি. লাইনের রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলাকালীন আচমকাই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি।অভিযোগ, শ্রমিকরা লাইনে কাজ করছিলেন। সেই সময় যথাযথ সমন্বয় ছাড়াই বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করে দেওয়া হয়। উচ্চ ভোল্টেজের তারের সংস্পর্শে এসে গুরুতর জখম হন বিধু কপালি।সহকর্মীরা দ্রুত তাঁকে তেলিয়ামুড়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলেও চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মুহূর্তের মধ্যেই শোকের ছায়া নেমে আসে পরিবার ও সহকর্মীদের মধ্যে।ঘটনার পর থেকেই বিদ্যুৎ দপ্তরের ভূমিকা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন। লাইনে কাজ চলার সময় কীভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু হলো? নিরাপত্তার সমস্ত নিয়ম কি মানা হয়েছিল? নাকি সমন্বয়ের ঘাটতির কারণেই অকালে ঝরে গেল এক শ্রমিকের প্রাণ? এই প্রশ্নগুলির উত্তর জানতে চাইছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি মৃত শ্রমিকের পরিবারের জন্য উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ এবং পরিবারের একজন সদস্যের চাকরির ব্যবস্থাও নিশ্চিত করতে হবে।