
শান্তিরবাজার রেল স্টেশন... নামের সঙ্গে যেন বাস্তবের কোনো মিলই নেই। অভিযোগ, কোটি কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি এখন ভাঙচুরের শিকার, আর সন্ধ্যা নামলেই স্টেশন চত্বর দখলে নিচ্ছে অসামাজিক তৎপরতা। নিরাপত্তা কোথায়? রেল প্রশাসন কি সব দেখেও নীরব?
যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াতের জন্য তৈরি হয়েছিল শান্তিরবাজার রেল স্টেশন। কিন্তু বর্তমানে সেই স্টেশন ঘিরেই উঠছে একের পর এক গুরুতর অভিযোগ।স্থানীয়দের দাবি, সন্ধ্যার পর স্টেশনের দ্বিতীয় তলায় জমে ওঠে অসামাজিক আড্ডা। নেশাগ্রস্তদের আনাগোনা থেকে শুরু করে নানা অনাকাঙ্ক্ষিত কার্যকলাপের অভিযোগও সামনে এসেছে। ফলে আতঙ্কে পড়ছেন সাধারণ যাত্রীরা, বিশেষ করে নারী ও প্রবীণরা।অভিযোগ শুধু নিরাপত্তাহীনতার নয়, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট হওয়ারও।যাত্রীদের জন্য বসানো পানীয় জলের ট্যাঙ্কে নেই জল, এমনকি উধাও হয়ে গেছে ট্যাপ ও পাইপ। প্ল্যাটফর্মের লোহার রেলিং ভেঙে পড়েছে, মরচে ধরা ধারালো অংশ এখন দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়াচ্ছে।স্থানীয়দের প্রশ্ন, কোটি কোটি টাকার এই পরিকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব কার?যেখানে রেল স্টেশন এলাকায় নিরাপত্তার জন্য GRP এবং RPF-এর নজরদারি থাকার কথা, সেখানে দিনের পর দিন কীভাবে এই অভিযোগগুলো সামনে আসছে? কেন সরকারি সম্পত্তি রক্ষা করা যাচ্ছে না? কেন যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ?এখন দেখার, অভিযোগের ভিত্তিতে রেল প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী কী পদক্ষেপ নেয়। স্টেশনে বাড়বে কি নজরদারি? রক্ষা পাবে কি সরকারি সম্পত্তি? নাকি অভিযোগই থেকে যাবে অভিযোগে?
শান্তিরবাজার রেল স্টেশন কি আবার ফিরে পাবে নিরাপদ পরিবেশ নাকি কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি আরও একবার অসামাজিকদের দখলেই থেকে যাবে? এখন সেদিকেই নজর।