ত্রিপুরা
img

বিলাসবহুল XUV-তে ২৭১ কেজি গাঁজা!

নেশামুক্ত ত্রিপুরার দাবির মাঝেই ফের বড়সড় মাদক পাচারের পর্দাফাঁস। বিলাসবহুল XUV গাড়িতে করে রাজ্যের বাইরে পাচারের সময় ফটিকরায় থানার পুলিশের জালে ধরা পড়েছে ২৭১ কেজি শুকনো গাঁজা। যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা। ঘটনায় গ্রেফতার দুই পাচারকারী। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে—এত কড়া নজরদারির পরও কীভাবে সক্রিয় রয়েছে এই মাদক চক্র? 
ত্রিপুরায় মাদকবিরোধী অভিযান চলছেই। কিন্তু সেই অভিযানের মাঝেই একের পর এক সামনে আসছে বড় মাদক পাচারের ঘটনা।ঊনকোটি জেলার ফটিকরায় থানার পুলিশের হাতে এবার ধরা পড়ল বিপুল পরিমাণ শুকনো গাঁজা। অভিযোগ, কমলপুর থেকে একটি বিলাসবহুল XUV গাড়িতে করে রাজ্যের বাইরে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল এই মাদক।পুলিশ সূত্রে খবর, দুর্গা চৌমুহনী নাকা পয়েন্টে রুটিন তল্লাশির সময় TR-01-N-3957 নম্বরের গাড়িটিকে থামার নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু গাড়িতে থাকা দুই ব্যক্তি নিজেদের শাসকদলের মণ্ডল সভাপতি পরিচয় দিয়ে পুলিশের নির্দেশ অমান্য করে দ্রুত পালিয়ে যায়।সঙ্গে সঙ্গেই খবর পাঠানো হয় ফটিকরায় থানার ডেমডুম নাকা পয়েন্টে। সেখানে আগে থেকেই তৈরি ছিল পুলিশ।ডেমডুম নাকায় পৌঁছতেই ফের থামার সংকেত দেয় পুলিশ। কিন্তু এবারও পালানোর চেষ্টা করে অভিযুক্তরা। শুরু হয় ধাওয়া। শেষ পর্যন্ত পুলিশের ব্যারিকেডে ধাক্কা লেগে থেমে যায় বিলাসবহুল গাড়িটি।তল্লাশি চালাতেই বেরিয়ে আসে একের পর এক গাঁজার প্যাকেট। মোট উদ্ধার হয় ২৭১ কেজি শুকনো গাঁজা। যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা। ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেফতার করা হয় দুই পাচারকারীকে।পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এনডিপিএস আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া গাঁজা কোথা থেকে আনা হয়েছিল, কোথায় পাচারের পরিকল্পনা ছিল এবং এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত—সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তবে বারবার বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার হলেও পাচারচক্রের দৌরাত্ম্য পুরোপুরি বন্ধ করা যাচ্ছে না। ফলে নেশামুক্ত ত্রিপুরার সরকারি দাবির সঙ্গে বাস্তব চিত্রের ফারাক নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
২৭১ কেজি গাঁজা উদ্ধার, দুই পাচারকারী গ্রেফতার। কিন্তু এই চক্রের মূল হোতা কে? তদন্তে কি সামনে আসবে আরও বড় নাম? সেই উত্তর খুঁজছে এখন পুলিশ