ত্রিপুরা
img

বঙ্কিম বন্দনায় কল্যাণপুর

ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রেরণা, বাংলা সাহিত্যের এক অবিস্মরণীয় নাম— সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। তাঁর জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে খোয়াই জেলায় অনুষ্ঠিত হলো এক মর্যাদাপূর্ণ শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠান। কারা ছিলেন উপস্থিত? কী বার্তা উঠে এল মঞ্চ থেকে? 
ত্রিপুরা সরকারের খোয়াই জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে কল্যাণপুর লোটাস কমিউনিটি হলে অনুষ্ঠিত হয় সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী উদযাপন। ভাবগম্ভীর পরিবেশে তাঁর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়।অনুষ্ঠানে উদ্বোধক ও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক পিনাকী দাস চৌধুরী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তেলিয়ামুড়া পুর পরিষদের চেয়ারপার্সন রূপক সরকার, আত্মা কমিটির চেয়ারম্যান নিতাই বল, কল্যাণপুর দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষা অঞ্জনা দেব্বর্মা, খোয়াই জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের যুগ্ম অধিকর্তা দিলীপ কুমার দেব্বর্মা-সহ বিশিষ্ট অতিথিরা। সভাপতিত্ব করেন কল্যাণপুর পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান সোমেন গোপ।প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিধায়ক পিনাকী দাস চৌধুরী বঙ্কিমচন্দ্রের কালজয়ী সাহিত্যকর্ম এবং ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে 'বন্দে মাতরম'-এর ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। অন্যান্য বক্তারাও তাঁর সাহিত্য, জাতীয়তাবাদী চেতনা এবং সমাজচিন্তার গুরুত্ব নিয়ে আলোকপাত করেন।অনুষ্ঠানে এলাকার বহু সাহিত্যপ্রেমী, ছাত্র-ছাত্রী এবং সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। তাঁদের অংশগ্রহণে জন্মজয়ন্তীর অনুষ্ঠান হয়ে ওঠে আরও প্রাণবন্ত ও অর্থবহ।
সময় বদলায়, প্রজন্ম বদলায়। কিন্তু বঙ্কিমচন্দ্রের কলমে লেখা দেশপ্রেম আর সাহিত্যচেতনা আজও সমান প্রাসঙ্গিক। সেই আদর্শকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতেই এমন উদ্যোগ— এমনটাই মনে করছেন উপস্থিত অতিথি ও সাহিত্যপ্রেমীরা।