
শান্তিরবাজার থানাকে ঘিরে উঠেছে একের পর এক গুরুতর অভিযোগ। সাংবাদিক হেনস্থা থেকে শুরু করে দুর্ঘটনার ঘটনায় গোপন রফা-দফার অভিযোগ—সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দুতে এক সাব-ইন্সপেক্টর। অভিযোগ ঘিরে এখন তীব্র চাঞ্চল্য দক্ষিণ ত্রিপুরাজুড়ে।
অভিযোগ, সেই সময় শান্তিরবাজার থানার সাব-ইন্সপেক্টর সমীর বিশ্বাস সাংবাদিকদের তথ্য সংগ্রহে বাধা দেন এবং ঘটনাস্থল থেকে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেন।অভিযোগকারীদের দাবি, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। দীর্ঘদিন ধরেই দুর্ঘটনার বিভিন্ন ঘটনায় গোপন সমঝোতা ও রফাদফার অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে। এমনকি বহু ক্ষেত্রে প্রকৃত তথ্য প্রকাশ্যে আসতে দেওয়া হয় না বলেও অভিযোগ।এদিকে স্থানীয় মহলের একাংশের দাবি, থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক অসুস্থ থাকায় প্রশাসনিক তদারকির সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কিছু ক্ষেত্রে একতরফা সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। যদিও এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাংবাদিক মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। অনেকেই বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
সাংবাদিকদের তথ্য সংগ্রহে বাধা কেন? দুর্ঘটনার ঘটনাগুলোর আড়ালে আদৌ কি কোনো গোপন রফাদফা চলছে? নাকি সব অভিযোগই ভিত্তিহীন? অভিযোগের পাহাড়ের নীচে চাপা পড়ে থাকা সত্যিটা কী—এখন সেই উত্তর খুঁজছে শান্তিরবাজার, আর নজর রয়েছে পুলিশ প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।