
সরকারি অফিসের কাজ কি জনগণের সেবা, নাকি কিছু আধিকারিকের ব্যক্তিগত আরাম-আয়েশের জায়গা?এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে তেলিয়ামুড়া ও কল্যাণপুর আইসিডিএস দপ্তর ঘিরে।
অভিযোগ, তেলিয়ামুড়া চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট অফিসার পৃথিলা প্রসূন দাস, কল্যাণপুর সি.ডি.পি.ও প্রদীপ দেবনাথ এবং তেলিয়ামুড়া সুপারভাইজার চন্দন সূত্রধর নাকি প্রায়ই নির্ধারিত সময় না মেনে নিজেদের সুবিধামতো অফিসে আসেন। স্থানীয়দের দাবি, তাঁরা আগরতলা-শিলচরগামী দুপুর ১২টার ট্রেনে তেলিয়ামুড়া পৌঁছান এবং এরপর রেলস্টেশন থেকেই সরকারি গাড়িতে অফিসে যান। এই ঘটনাকে ঘিরে প্রশ্ন উঠছে—সরকারি তেল, সরকারি গাড়ি এবং সরকারি সময় কি ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য ব্যবহার হচ্ছে? অভিযোগ অনুযায়ী সাংবাদিকরা রেলস্টেশনে পৌঁছালে, সেখানে দেখা যায় সরকারি গাড়ির উপস্থিতি।যে দপ্তরের উপর গর্ভবতী মা, শিশু ও প্রসূতি মায়েদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টির দায়িত্ব, সেখানে যদি স্বচ্ছতা ও উপস্থিতি নিয়েই প্রশ্ন ওঠে, তবে ভরসা কোথায় সাধারণ মানুষের?
জনসেবার দপ্তর নাকি সুবিধার আড়াল? স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন