ত্রিপুরা
img

কার জন্য মজুদ ছিল ৪০০০ কেজি চাল?

গোপন খবরের ভিত্তিতে প্রশাসনের অভিযানে বড়সড় সাফল্য। সদর মহকুমার আনন্দনগর এলাকায় এক বাড়ি থেকে উদ্ধার হল প্রায় ৪ হাজার কেজি রেশনের চাল। 
বৃহস্পতিবার পশ্চিম জেলার জেলাশাসক ডক্টর বিশাল কুমারের কাছে একটি গোপন খবর আসে। খবর ছিল, সদর মহকুমার অন্তর্গত আনন্দনগর ৯ নম্বর এলাকায় সজল দাসের বাড়িতে বিপুল পরিমাণ রেশনের চাল অবৈধভাবে মজুদ রয়েছে।এরপর জেলাশাসকের নির্দেশে সদর মহকুমা প্রশাসন তৎপর হয়ে ওঠে। ডিসিএম সঞ্জিত দেববর্মা, খাদ্য দপ্তরের আধিকারিক এবং শ্রীনগর থানার পুলিশ যৌথভাবে ওই বাড়িতে অভিযান চালায়।অভিযানে বাড়ির একাধিক ঘর থেকে উদ্ধার হয় ৮০ বস্তায় মোট ৪ হাজার কেজি রেশনের চাল। এত বিপুল পরিমাণ রেশনের চাল দেখে হতবাক হয়ে যান খাদ্য দপ্তরের আধিকারিকরাও। অভিযানের সময় বাড়ির মালিক সজল দাস উপস্থিত না থাকলেও তার স্ত্রী দাবি করেন, আগরতলার মহারাজগঞ্জ বাজারের এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে চালগুলো আনা হয়েছে।তবে প্রশাসনের সন্দেহ, এই চাল অবৈধভাবে মজুদ করে অন্যত্র বিক্রি করা হচ্ছিল। স্থানীয় সূত্রে এমনও অভিযোগ উঠেছে, চুলাই মদ তৈরির কাজে ব্যবহারের জন্য এই চাল বিক্রি করা হত।অভিযানকারী দল সমস্ত চাল বাজেয়াপ্ত করে এডি নগরস্থিত খাদ্য গুদামে পাঠিয়ে দেয়। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ডিসিএম সঞ্জিত দেববর্মা জানান, অবৈধভাবে রেশনের চাল মজুদ রাখার অভিযোগে সজল দাসের বিরুদ্ধে মামলা নথিভুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
৪ হাজার কেজি রেশনের চাল উদ্ধারের ঘটনায় প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এই চালের উৎস, সরবরাহ চক্র এবং এর সঙ্গে আর কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।