
ত্রিপুরার গোমতী জেলার এক নাবালিকা—যার জীবনের গল্প এখন প্রশ্ন তুলছে সমাজ ও আইনের সামনে।
অভিযোগ, বেঙ্গালুরুতে নিয়ে গিয়ে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়,এমনকি অপ্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় বিয়ে দেওয়ার চেষ্টাও চলে।এই পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে সে নিজেই বাড়ি ফেরার জন্য ট্রেনে চড়ে বসে। কিন্তু সেই যাত্রাই তাকে ঠেলে দেয় এক নতুন আইনি জটিলতায়।অভিযোগ, সেখানে সে দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছিল। নাবালিকা হওয়া সত্ত্বেও তাকে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছিল।এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতেগত বছরের জুন মাসে সে ট্রেনে করে ত্রিপুরায় বাবার কাছে ফেরার চেষ্টা করে।কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের খড়গপুর রেল স্টেশনেপুলিশের নজরে আসে ওই নাবালিকা।তার নিরাপত্তার স্বার্থেতাকে মেদিনীপুরের একটি হোমে রাখা হয়।পরবর্তীতে ত্রিপুরার চাইল্ড লাইন ও গোমতী জেলার চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির উদ্যোগেপশ্চিমবঙ্গ ও বেঙ্গালুরুর সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু হয়।তবে মায়ের পক্ষ থেকে মিসিং ডায়েরি হওয়ায়আইনি প্রক্রিয়া জটিল হয়ে ওঠে।শেষমেশ সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া মেনেনাবালিকাকে কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুর চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির হাতে তুলে দেওয়া হয়।
এক নাবালিকার সাহসিকতার গল্প—যে নিজের জীবন বাঁচাতে বাড়ি ফেরার চেষ্টা করেছিল,কিন্তু সেই পথেই জড়িয়ে পড়েছে জটিল আইনি প্রক্রিয়ায়।