ত্রিপুরা
img

হুমকি, অপমান, না কি রাজনৈতিক কোন্দল—মৃত্যুর নেপথ্যে কী?”

উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগরে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা—যুব মোর্চা সভাপতি ও কাউন্সিলর রাহুল কিশোর রায়ের আত্মঘাতী হওয়া ঘিরে উত্তাল এলাকা।পরিবারের বিস্ফোরক অভিযোগ—স্বদলীয় কর্মীদের লাগাতার হুমকি ও মানসিক নির্যাতনের জেরেই এই মর্মান্তিক পরিণতি।প্রশ্ন উঠছে—রাজনৈতিক চাপে কি ভেঙে পড়লেন এক তরুণ নেতা?
পরিবারের দাবি,উপনির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই মানসিক চাপে ছিলেন রাহুল।অভিযোগ, দলেরই কিছু কর্মী তাঁকে নিয়মিত অপমান ও হুমকি দিচ্ছিল।সোমবার দুপুরে সাতজন অভিযুক্ত বাড়িতে ঢুকেগালিগালাজ, হুমকি এমনকি মারধরও করে বলে অভিযোগ। জানা গেছে সেই রাতেও পুনরায় হামলার চেষ্টা চালানো হয়।এই পরিস্থিতিতে রাহুল দলীয় নেতৃত্বের কাছে সাহায্য চাইলেওকোনও সাড়া পাননি বলে অভিযোগ।ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।ধর্মনগর জেলা হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয়রা।তাদের দাবি—অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।ঘটনাস্থলে পৌঁছে ক্ষোভের মুখে পড়েন বিজেপির উত্তর জেলা সভাপতি কাজল দাস।এদিকে মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মানিক সাহা শোক প্রকাশ করে নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন।
সব মিলিয়ে, ধর্মনগরের এই ঘটনায়স্বদলীয় রাজনৈতিক কোন্দলই কি প্রধান কারণ—তা নিয়েই এখন জোর জল্পনা।