
এই প্রভাব ত্রিপুরার ঊনকোটি জেলার কুমারঘাটেও স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। গ্যাসের অপ্রতুলতার কারণে বহু মানুষ এখন বিকল্প হিসেবে ঝুঁকছেন বৈদ্যুতিক চুলোর দিকে।বাজারে বেড়েছে ইন্ডাকশন কুক টপ ও বৈদ্যুতিক চুলোর চাহিদা, অন্যদিকে গ্যাসের চুলোর বিক্রি অনেকটাই কমে গেছে। দোকানদারদের দাবি, আগে যেখানে মাসে একটি চুলো বিক্রি হতো, এখন তা প্রতিদিন একাধিক সংখ্যায় বিক্রি হচ্ছে।একই মত আরেক ব্যবসায়ী নীলকণ্ঠ দেবনাথেরও। তিনি জানান, গ্যাস না পাওয়ায় মানুষ বাধ্য হয়েই বৈদ্যুতিক চুলোর দিকে ঝুঁকছেন।অন্যদিকে সাধারণ মানুষের অভিযোগ, গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুতের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ বিলও বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার ফলে বাড়তি আর্থিক চাপ পড়ছে। সব মিলিয়ে, গ্যাস সংকটের জেরে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে, অন্যদিকে বাড়ছে বিদ্যুতের ব্যবহার। কবে স্বাভাবিক হবে গ্যাস সরবরাহ—এটাই এখন বড় প্রশ্ন।