
অবশেষে রায় ঘোষণা করলো আদালত। আদালতের রায়ে সজ্জন কুমারের যাবজ্জীবন। একই পরিবারের দুজন শিখকে খুনের অভিযোগ ছিল সজন কুমারের বিরুদ্ধে। ৪১ বছর পর সুষ্ঠু বিচার পেলো শিখ পরিবারটি।
১৯৮৪ সালে দিল্লীতে শিখ বিরোধী দাঙ্গায় জোড়া খুনের ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ সজ্জন কুমারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিলো আদালত। ওই জোড়া খুনের ঘটনায় সজ্জন কুমার প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন বলে জানিয়েছে দিল্লির বিশেষ আদালত।উল্লেখ্য ৪১ বছরের পুরানো এই মামলায় গত ১২ ফেব্রুয়ারি সজ্জন কুমারকে দোষী সাব্যস্ত করেছিল আদালত।৭৯ বছর বয়সি সজ্জন কুমার বর্তমানে তিহার জেলে বন্দী। এই মামলাতেই সজ্জন কুমারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে বিশেষ আদালত। প্রসঙ্গত ৮৪ সালে প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর হত্যার পর জ্বলে উঠে শিখ বিরোধী দাঙ্গার আগুন। দিল্লীতে শিখ বিরোধী দাঙ্গায় মারা যান জসবন্ত সিং ও তরুণদীপ সিং নামের পিতা পুত্র। এই জোড়া খুনের ঘটনায় নাম জড়ায় সজ্জন কুমারের। বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে তাদের হাতে দেওয়া হয় তদন্তের দায়িত্বভার।২০২১ সালের ১৬ডিসেম্বর আদালতে সজ্জনের বিরুদ্ধে খুনের চার্জশিট জমা দেওয়া হয়। আইনজীবীদের দাবি ছিল জোড়া খুনের ঘটনায় সামনে দাঁড়িয়ে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন সেই সময়ে রাজনগরের কংগ্রেস সাংসদ সজ্জন। এরপর যশোবন্তের স্ত্রী ও সরকার পক্ষ এই মামলায় সজ্জন কুমারের মৃত্যুদণ্ডের দাবি জানায়। পড়ে সমস্ত দিক বিচার বিশ্লেষণ করে সজ্জন কুমারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিলো বিশেষ আদালত। বহু পুরানো এই মামলায় নানান সময় রাজনৈতিক তরজা ও কম হয়নি। কংগ্রেস দলের এই সাংসদ এর বিরুদ্ধে উঠা সমস্ত অভিযোগকে বলেছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। অবশেষে ৪১ বছর পর বিচার পেলো হিংসায় উন্মত্ত দাঙ্গার শিকার শিখ পরিবারটি।