
দীর্ঘ ৮ ঘন্টা জাতীয় সড়ক অবরোধের পর জিরানিয়া মহকুমা শাসক শান্তি রঞ্জন চাকমার সাথে আলোচনা টেবিলে বসা হয় অবরোধস্থলে, জিরানিয়া মহকুমা শাসক আত্মসমর্পণকারী বৈরীদের দাবি সমূহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট পৌঁছে দেয়ার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন, পরবর্তীতে অবরোধ মুক্ত করে অবরোধকারী বৈরীরা। ত্রিপাক্ষিক চুক্তি অনুযায়ী আত্মসমর্পণকারী বৈরীরা এখনো পর্যন্ত বঞ্চিত, চুক্তি অনুযায়ী সরকার পক্ষ থেকে তাদের জন্য বাসস্থান, শিক্ষা, বিদ্যুৎ রাস্তা ঘাটের ব্যবস্থা আজ পর্যন্ত করা হয়নি, যাদের বিরুদ্ধে পুলিশি মামলা রয়েছে সেগুলিও প্রত্যাহার করা হয়নি, ফলে প্রতিবাদে মঙ্গলবার ২৪ ঘন্টা জাতীয় সড়ক অবরোধে বসেছিল আত্মসমর্পণকারী বৈরীরা, টি ইউ আই আর পি টি ডি সভাপতি ড্যানিয়েল দেববর্মন নেতৃত্বে বড়মুড়া সাধুপাড়া এলাকাস্হিত ব্রিজের সংলগ্ন আসাম আগরতলা জাতীয় সড়কে সকাল ৬ টা থেকে অবরোধ শুরু করা হয়েছিল। সভাপতি ড্যানিয়েল দেববর্মা জানান কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে ত্রিপাক্ষিক চুক্তির মধ্য দিয়ে প্রায় পাঁচ শতাধিক বৈরী স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছে কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী সরকার পক্ষ থেকে সবকিছু পূরণ করা হয়নি, আমরা শান্তির পক্ষে ,শৃংখলার পক্ষে, রাজ্যে শান্তি বজায় রাখতে চাই, স্পেশাল ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট প্যাকেজ এর মাধ্যমে পুনর্বাসন দেওয়া হয়েছিল সরকারের পক্ষ থেকে, কিন্তু তার কোন সুযোগ সুবিধা এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি, দানিয়েল দেববর্মা আর অভিযোগ করে বলেন- বলা হয়েছিল ব্যাংক ঋণের মাধ্যমে স্বরোজগাড়ি যোজনা দেওয়া হবে কিন্তু কোন ব্যাংক থেকে এখন পর্যন্ত কারোর ঋণ মেলেনি, তিনি বলেন উপজাতি কল্যাণে উপজাতিদের উন্নয়নে নোডাল উপজাত্রী কল্যাণ দপ্তর থেকেও কোনো ধরনের সুযোগ সুবিধা এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি, এ ধরনের জাতীয় সড়ক অবরোধের ফলে প্রচুর যাত্রীবাহী, পণ্যবাহী গাড়ি রাস্তার দুই প্রান্তে আটকে পড়েছিল দীর্ঘক্ষণ, এর ফলে যাত্রীদের ভোগান্তি এবং অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়।